মূল নিবন্ধ: মহাভারতের কাহিনি
কাহিনীর শুরু প্রকৃতপক্ষে ভরত রাজার
সময় থেকে। কিন্তু বহু
পুস্তকে রাজা শান্তনুর সময়
থেকে কাহিনী শুরু করা হয়। পিতৃসত্য
পালনের জন্য শান্তনুর পুত্র দেবব্রত
আজীবন বিবাহ করেন নি ও
রাজসিংহাসনে বসেন নি। এই ভীষণ
প্রতিজ্ঞান জন্য তাঁকে ভীষ্ম
বলা হয়। ভীষ্মের কণিষ্ঠ
ভ্রাতা বিচিত্রবীর্য রাজত্ব চালান।
তাঁর ছিল দুই পুত্র - ধৃতরাষ্ট্র ও পাণ্ডু।
জ্যেষ্ঠ ধৃতরাষ্ট্র জন্মান্ধ হওয়ায় পাণ্ডু
রাজা হন। কিন্তু পাণ্ডুর অকালমৃত্যুর পর
রাজত্ব ধৃতরাষ্ট্রের
তত্বাবধানে আসে। সেখান থেকেই
শুরু হয় মহাভারতের মহাবিরোধ।
কে রাজা হবেন - পাণ্ডুর পুত্র,
না ধৃতরাষ্ট্রের ?
শুরু হয় হিংসা,
ষড়যন্ত্র, কপট দ্যূতক্রীড়া বনবাস
ইত্যাদি । কাহিনীর
পরিণতি অষ্টাদশদিবসব্যাপী এক
সংহারক যুদ্ধ। যাকে বলা হয় কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ।
যাতে ভারতবর্ষের বহু
রাজার প্রাণ যায় । মৃত্যু হয় ধৃতরাষ্টের
জ্যেষ্ঠপুত্র দুর্যোধন সহ মোট শতপুত্রের।
শেষে রাজত্ব পান জ্যেষ্ঠ পাণ্ডুপুত্র
যুধিষ্ঠির।
সমস্ত কাহিনীতে ভগবান
শ্রীকৃষ্ণ মুখ্য চালকের ভূমিকায়
থাকেন।
এই কাহিনীর আধ্যাত্মিক
সারাংশ হল ধর্মের জয় ও অধর্মের নাশ।
চরিত্র সমূহঃ
পাণ্ডব শিবিরঃ
পঞ্চপাণ্ডব (যুধিষ্ঠির , ভীম , অর্জুন, নকুল ,
সহদেব ), এদের মা কুন্তি (বাবা পাণ্ডু
যুদ্ধের বহু পূর্বে বিগত, নকুল, সহদেব-এর
মা মাদ্রী সহমৃতা।)
পঞ্চ পান্ধবের স্ত্রী দ্রৌপদী ।
অর্জুনের পুত্র অভিমন্যু (সুভদ্রা), ঘটোত্কচ, শিখণ্ডী, কৃষ্ণ
কৌরব শিবিরঃ
দুর্যোধন , দুঃশাসন ইত্যাদি ভাইরা,
(পিতা ধৃতরাষ্ট্র
রাজধানীতে থেকে সঞ্জয়ের
মুখে বর্ণনা শুনছিলেন ও মন্ত্রী
বিদুরের সহাতায় রাজ্য
চালনা করছিলেন,
সেখানে আরো ছিলেন এদের বোন
দুঃশলা , মা গান্ধারী ), মামা শকুনি।
পিতামহ ভীষ্ম , গুরু দ্রোণাচার্য ,
কৃপাচার্য , কর্ণ , অশ্বথামা, শল্য।
অন্যান্য চরিত্র
একলব্য , চিত্রাঙ্গদা , হিড়িম্বা
ভালো লাগলে লাইক দিন।

0 Comments